মঙ্গলবার, ২৫শে জুন, ২০১৯ ইং, ১১ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Bengali Bengali English English

শিরোনাম

বাংলাদেশ অভিমুখে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’। বলা হচ্ছে, প্রতিবেশী ভারতের কয়েকটি অঞ্চল কাঁপিয়ে আসবে বাংলাদেশে।

শনিবার নাগাদ এই ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। এজন্য প্রবেশ মুখ খুলনা অঞ্চলে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতিমূলক সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বাসিন্দাদের নিরাপদস্থানে সরিয়ে নেয়া শুরু হয়েছে।

কিন্তু, কতটা প্রলয়ঙ্করী এই ফণী? কতটা ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে বাংলাদেশে? এ বিষয়ে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা সুনির্দিষ্ট করে এখনও কোনো তথ্য দিতে পারছেন না।

তবে, তাদের আশঙ্কা, শেষ পর্যন্ত গতিপথ পরিবর্তন না করলে বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চলে ফণী ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে।

যেমনটি বলছিলেন আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক সামসুদ্দিন আহমেদ, ‘ভারতের উড়িষ্যার অদূরে থাকা ফণী সত্যিই দানবীয়! সেখানে ঝড়টির আয়তন বলা চলে বাংলাদেশের চেয়ে বড়। ক্রমশ এটি বাংলাদেশের দিকে আসছে।’

আশার কথা শুনিয়ে তিনি বলেন, ‘এটির আয়তন ধীরে ধীরে ছোট হয়ে আসছে। আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ যদি ফণী আঘাত হানে, তখন হয়তো আয়তন থাকবে গোটা বাংলাদেশের (১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটার) সমান।’

ফণীর প্রভাব বিষয়ে সামসুদ্দিন বলেন, ‘আয়তন বেশি হওয়ায়, আঘাতের সময়ে গোটা দেশ মেঘে ঢেকে যাবে। আর যদি দুর্বল হয়ে আসে, তাহলে কিছু কিছু এলাকা মেঘে ঢেকে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ধারণা, ফণী পুরো শক্তি নিয়ে আঘাত হানলে ৪ থেকে ৫ ফিট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হবে। তারও যদি জোয়ারের সময় আঘাত হানে।’

আবহাওয়া অধিদফতরের এই পরিচালকের ভাষ্যে, ফণী শুরুতে খুলনা এলাকায় আঘাত হানবে। এজন্য ওই অঞ্চলে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। খুলনার পাশাপাশি বরিশাল এবং পটুয়াখালীতেও ফণীর প্রভাব পড়বে। তবে কক্সবাজারে তেমন প্রভাব পড়বে না। এজন্য সেখানে মাত্র ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বা পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে অনলাইন প্রকাশনাকে উৎসাহিত করুন। বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুনঃ

ই-মেইলঃ dainikteknafnews85@gmail.com

ফোনঃ 01815542234

এ ওয়েবসাইটের কোন ছবি বা নিউজ অনুমতি ছাড়া নকল বা প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনী ।

সুমন রেজা, টেকনাফ

অফিস: আল-জামেয়া মার্কেট,  টেকনাফ, কক্সবাজার,

যোগাযোগঃ 01815542234